Previous
Next

সর্বশেষ

Friday, 16 October 2020

বাংলাদেশের প্রথম নারী ট্রেন চালক টাঙ্গাইল জেলা ভুয়াপুরের, সালমা খাতুন

বাংলাদেশের প্রথম নারী ট্রেন চালক টাঙ্গাইল জেলা ভুয়াপুরের, সালমা খাতুন

 বাংলাদেশের প্রথম নারী ট্রেন চালক #ভুয়াপুরের সালমা খাতুন



জন্ম ১৯৮৩ সালের ১ জুন, টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের একটি কৃষক পরিবারে। ২০০০ সালে এসএসসি এবং ২০০২ সালে এইচএসসি পাস করেন।পরিবারের আর্থিক টানাপোড়েনের কারণে এর চেয়ে বেশি পড়তে পারেননি তখন। এরপর নিউজপেপারে বাংলাদেশ রেলওয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বিজ্ঞাপন দেখে তিনি আবেদন করেন একজন সহকারী ট্রেন চালক হিসেবে।


ট্রেনিংয়ের সময় উনাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল তিনি এই কাজ করতে পারবেন কিনা, তিনি বলেছিলেন এই চাকরি তিনি করতে চান এবং অবশ্যই পারবেন।রেলের কর্মকর্তারাও উনাকে অনেক উৎসাহ এবং অনুপ্রেরনা দিয়েছেন।


পরিবার থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পেয়েছেন বড় ভাইয়ের কাছ থেকে, এখন স্বামীর কাছ থেকে অনেক সমর্থন পাচ্ছেন। তিনি দুই কন্যা সন্তানের জননী।ট্রেন চালানোর পাশাপাশি সংসারটাকেও খুব সুন্দর এবং পরিপাটি করে সাজিয়ে রেখেছেন তিনি। মাঝখানে ট্রেন চালানোর পাশাপাশি লেখাপড়াও চালিয়ে গেছেন, ২০১৫ সালে কবি নজরুল কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। 


ছোটবেলায় চাইতেন ব্যতিক্রমী কিছু করে দেখাতে। সেই সুবাদেই বাংলাদেশ রেলওয়েতে যোগ দেওয়া। অনেকেই তাঁকে কথা শুনিয়েছেন - মেয়ে হয়ে কেন ট্রেন চালাতে এসেছেন, মেয়ে মানুষ আবার ট্রেন চালায় নাকি ইত্যাদি।  তিনি সেসব কথায় কিছু মনে না করে এগিয়ে গেছেন নিজের মতো করে। তাঁকে দেখে এখন অন্য নারীরাও এখন এগিয়ে আসছেন এই পেশায়। তিনি চান আরও অনেক নারী এই পেশায় আসুক।


বর্তমানে তিনি ঢাকা - নারায়নগঞ্জ রুটে ডেমু ট্রেন চালাচ্ছেন। আগামীতে হয়তো দূরের পথের আন্তনগর ট্রেনও চালাবেন। মেয়েদের জন্য সালমা খাতুন এখন একটি অনুপ্রেরণার নাম। মেয়েরাও এগিয়ে আসুক উনাকে দেখে সেটাই তিনি চান। শুভ কামনা, ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা রইলো তাঁর প্রতি।

Thursday, 15 October 2020

বাজার নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন: কৃষিমন্ত্রী  ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বাজার নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন: কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বাজার নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন এবং বাস্তবে এটা করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এটা নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন।


আইনশৃংখলা বাহিনী এবং প্রশাসন চেষ্টা করে। তবে বাস্তবে এটা করা যায় না।

বাজারে চাহিদা ও তাদের (ব্যবসায়ী) নানান কারসাজির কাছে এটা করা খুব কঠিন একটা কাজ। তবে আমরা চেষ্টা করছি।

আমরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছি না।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২০ ও কৃষির সমসাময়িক বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।


ব্যবসায়ীরা নৈতিকতার বাইরে গিয়ে প্রতিকেজি আলুতে অন্তত ২০ টাকা লাভ করছেন বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন,আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার কাজ করছে।

একই প্রসঙ্গে তিনি বলেন,আর ২০ থেকে ২৫ দিন আলুর দাম একটু বেশি থাকবে। তারপর নতুন সবজি এলে দাম কমবে।

সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী ব্যবসায়ীদের নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে কোনো নৈতিকতা কাজ করে না বলেই এক কেজি আলুতে তারা ২০ টাকা লাভ করে।

গত কয়েকদিন ধরে বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। পাশাপাশি বেড়েছে অন্য সবজির দামও। এতে দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত হিমশিম খাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে কৃষি বিপণন অধিদফতর তিন পর্যায়ে আলুর দাম নির্ধারণ করে দিয়ে তা বাস্তবায়ন করতে দেশের সব জেলা প্রশাসককে এ ব্যাপারে চিঠি দিয়েছে।

কেজিপ্রতি খুচরা পর্যায়ে ৩০, পাইকারিতে ২৫ ও হিমাগার থেকে ২৩ টাকা। এই দামে আলু বিক্রি না করলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ভোক্তা অধিকার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, বেঁধে দেওয়া দাম বাস্তবায়নের কোনো চিত্র বাজারে নেই। আলুর দাম আগের মতোই আছে। এ পর্যন্ত কোথাও কোনো বাজারে অভিযানের কথাও শোনা যায়নি।

Wednesday, 14 October 2020

ধর্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা ছেলেটি ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

ধর্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা ছেলেটি ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার

 ধর্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করা ছেলেটি ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার



সম্প্রতি ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন করা ছেলেটিই যে ‘ধর্ষক’ হতে পারে তা কে ভেবেছিলো? এমনই ঘটনা ঘটেছে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে।


পার্বতীপুরে ফেসবুকে পরিচয়, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের অশ্লীল ছবি মোবাইলে ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ঘটনায় পার্বতীপুর রেল থানার পুলিশ বিষ্ণু গোপাল মহন্ত ওরফে বাধনরাজ (১৯) নামে এক যুবককে সোমবার রাত সাড়ে ১১টায় গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত বিষ্ণু গোপালকে মঙ্গলবার দিনাজপুর কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।


সম্প্রতি সারাদেশে ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন শুরু হলে পার্বতীপুরে ধর্ষণবিরোধী মানবন্ধনে অংশ নেয় বিষ্ণু গোপাল মহন্ত ওরফে বাধনরাজ। পার্বতীপুর রেল থানায় দায়েরে করা মামলা সুত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত বিষ্ণু গোপাল মোহন্তের বাসা রেলওয়ের সাহেবপাড়া কলোনির টিসি/৮১৩। তার বাবার নাম বিশ্বজিত কুমার মোহন্ত(মানিক) ও মায়ের নাম জয়শ্রী রানি। তাদের গ্রামের বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপিনাথপুর কামারপাড়া।


মামলার আরজিতে বলা হয়েছে ভিকটিমের (১৬) সাথে বিষ্ণু গোপালের পরিচয় ঘটে ফেসবুকের মাধ্যমে। বিষ্ণু গোপাল মোহন্ত ওরফে বাধন রাজ নিজেকে একজন মুসলমান যুবক হিসেবে পরিচয় দেয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে সখ্য গড়ে উঠে। গত ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় ভিকটিমকে ফেসবুকের মাধ্যমে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সাহেবপাড়ার বাসায় নিয়ে গিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করে। আসামি কৌশলে তার মোবাইলে ভিকটিমের সাথে শারীরিক সম্পর্কের ছবি ধারণ করে।


ভিকটিমের মা মামলার বাদী জানান, তার মেয়েকে ধারণকৃত ছবি দেখিয়ে আরও ৫বার ধর্ষণ করা হয়েছে। আমার মেয়ে ধর্ষকের প্রকৃত ধর্মীয় পরিচয় জানার পর তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বিয়ের প্রস্তাব দেয় গত ১৬ আগস্ট। সে তা প্রত্যাখ্যান করে।


এদিকে, গত ৯ অক্টোবর রাত অনুমান ১০টায় বিষ্ণু গোপাল তার মোবাইলে ধারন করা অশ্লীল ছবি ফেসবুক আইডি’র মাধ্যমে প্রকাশ করে ভিকটিমকে অপমান অপদস্থ ও হেয় প্রতিপন্ন করে।


পার্বতীপুর রেল থানার ওসি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ডিজিটাল আইনের (২০১৮) এবং নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২০০০ ৯(১) এর সংশোধনী ২০০৩ এর ২৫(২) ধারায় মামলা হয়েছে।

Thursday, 8 October 2020

এইচ এসসি পরীক্ষা বাতিল ফরম পূরণের টাকা ফেরত চাইছেন শিক্ষার্থীরা।

এইচ এসসি পরীক্ষা বাতিল ফরম পূরণের টাকা ফেরত চাইছেন শিক্ষার্থীরা।

Hsc পরিক্ষা বাতিলের পর শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের কেউ কেউ ফরম পূরণের টাকা ফেরতের দাবি তুলেছেন।


তবে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছে, ফরম পূরণের  বাবদ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে টাকা নেওয়া হয়েছে সেই কাজগুলো তারা করেছেন।


এতে সেই টাকা খরচ হয়ে গেছে।


বুধবার (০৭অক্টোবর) অনলাইনে সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিলের ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী ডাক্তার দীপু মনি।

পরীক্ষা বাতিল করা হলেও জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।


করোনা পরিস্থিতির উৎকণ্ঠা নিয়ে ছয় মাস পর পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত পেলো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।


মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের অনেকেই পরীক্ষা না দিয়ে অটো পাসের দাবি তুলেছিল। অভিভাবকদেরও কেউ কেউ পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে মত দেন।


শিক্ষা বোর্ড থেকে জানা যায়, এইচএসসির ফরম পূরণের জন্য গত বছরের নভেম্বরে কেন্দ্র ফি সহ বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের ২৫০০ টাকা এবং মানবিক ও বাণিজ্য শাখার শিক্ষার্থীদের ১৯৪০ টাকা করে ফি ধরা হয়।


এরমধ্যে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের বোর্ড ফি ১৬৯৫ টাকা, মানবিক ও বাণিজ্যে ১৪৯৫ টাকা করে এবং বিজ্ঞানে কেন্দ্র ফি (ব্যবহারিক ফি সহ) ৮০৫ টাকা এবং মানবিক ও বাণিজ্যে ৪৪৫ টাকা করে নেওয়া হয়।


কেন্দ্র ফি থেকে থেকে ট্যাগ অফিসারের সম্মানীসহ অন্যান্য ব্যয় নির্বাহ করতে বলা হয়। কিন্তু যাদের ব্যবহারিক বিষয় আছে তাদের টাকার সঙ্গে প্রতি পত্রের জন্য আরো ২৫ টাকা করে দিতে হয়েছে। এছাড়া ব্যবহারিক উত্তরপত্র মূল্যায়নে অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত পরীক্ষকের জন্য পত্র প্রতি ২৫ টাকা করে কেটে নেওয়া হয়।


ফরম পূরণের জন্য একজন নিয়মিত শিক্ষার্থীকে প্রতি পত্রের জন্য ১০০ টাকা, ব্যবহারিক প্রতি পত্রের জন্য ২৫ টাকা, একাডেমিক/ট্রান্সক্রিপ্ট ফি ৫০ টাকা, সনদ ফি ১০০ টাকা, রোভার স্কাউট/গার্লস গাইড ফি ১৫ টাকা এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ফি ৫ টাকা ধরা হয়েছিল।


এখন পরীক্ষা বাতিলের পর শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের অনেকেই একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পর নেওয়া রেজিস্ট্রেশন ফি এবং পরীক্ষার আগে ফরম পূরণের টাকা ফেরত চাচ্ছেন।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার কথা হয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলামের সঙ্গে।তিনি বলেন,আমরা তো পরীক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন এবং ফরম ফিলাপ করেছি।

এগুলো (টাকা ফেরত) কেন বলছে? অনেকে বলছে কেন্দ্র ফি, কেন্দ্র ফি তো কেন্দ্রে চলে গেছে। আর আমরা তো কাজ করেছি।

আমরা রেজিস্ট্রেশনের কাজ করেছি, ফরম ফিলাপের কাজ করেছি, আমরা ফলাফল দেব, খাতা বানানো হয়েছে, প্রশ্ন তৈরি করেছি। এতে আমাদের সব টাকা তো খরচ হয়ে গেছে।

ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন,কেউ যদি বলে আমরা কেন্দ্র ফি ফেরত চাই, ঠিক আছে কেন্দ্র ফি ফেরত চাইলে পরীক্ষা দাও 

অষ্টমের জেএসসি-জেডিসি এবং মাধ্যমিকের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল থেকে এ বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের ফল দেওয়া হলে তাতে সবাই উত্তীর্ণ হয়ে যাবে।

পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,তোমারা তো সবই পেয়ে যাচ্ছ। আর আমরা তো জায়গায় জায়গায় টাকা খরচ করেছি, এরা এটা বুঝতেছে না।

করোনা সংক্রমণের বছরে এত বড় পাবলিক পরীক্ষা না নিয়ে ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়নকে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেন ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।

এই শিক্ষাবিদ বলেন,যে যাই বলুক দেশের ইতিহাসে কোভিডের এই ক্রিটিক্যাল মোমেন্টে এর‌ চেয়ে যুগান্তকারী ডিসিশন আর হতে পারে না। সব মহলে প্রশংসিত হয়েছে।

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন,কীভাবে রেজাল্ট দেওয়া হবে, ডে বাই ডে দেখা যাচ্ছে একটার পর একটা চ্যালেঞ্জ আসতেছে। আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করছি। আগে তো গড্ডালিকা প্রবাহে পরীক্ষা নিয়েছি, এখন একটার পর একটা চ্যালেঞ্জ আসবে। 


কোন সাবজেক্ট কীসের ভিত্তিতে মূল্যায়ন, কারিগরিতে যারা আছে, মাদ্রাসা থেকে পাস করে যারা এসেছে সাধারণ বোর্ডে, সাধারণ বোর্ড থেকে গেছে কারিগরিতে। মাদ্রাসা বোর্ডে কীভাবে, কারিগরি বোর্ডে কীভাবে।

জেএসসি রেজাল্ট কত পারসেন্ট ও কীভাবে, এসএসসির কত পারসেন্ট, এগুলো বিশাল ব্যাপার-স্যাপার। আমরা এখন বসতেছি আর একটার পর একটা সমস্যা আসতেছে। সমাধান করতে আমাদের সময় নিতে হবে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন,আমরা আশাবাদী, যেহেতু এ সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে এটা খুব ফ্রুটফুল ডিসিশন। এই ডিসিশনের পক্ষে একটা কম্পাইল করে দেশ ও জাতি সবার জন্য, যাতে একটা ভালো ফল আসে সেটার জন্য আমরা কাজ করব।


আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সুন্দর একটা ফল দিতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন,এ নিয়ে আমরা খুব বিজি আছি।

Monday, 5 October 2020

নোয়াখালীতে নারী নির্যাতনের ঘটনা ‘ষড়যন্ত্র’ আইনমন্ত্রী

নোয়াখালীতে নারী নির্যাতনের ঘটনা ‘ষড়যন্ত্র’ আইনমন্ত্রী


নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিবস্ত্র করে গৃহবধূকে নির্যাতনের ঘটনা ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।

তিনি বলেন, এমন বীভৎসতা স্বাভাবিক ঘটনা হতে পারে না। বিশেষ করে বিবস্ত্র করার পর ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে আপলোড করা ভয়ঙ্কার এবং কুরুচিপূর্ণ ঘটনা। অধিকতর তদন্ত করে বিচার নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ঘটনায় আমাদের  কাছে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন আনিসুল হক।

আইনমন্ত্রী বলেন,এটিকে একটি নিছক সামাজিক অপরাধ বলা যায় না ( মিডিয়ায় নির্যাতনের বর্ণনা দেখলাম)।গা শিউরে উঠলো এর থেকে খারাপ কিছু হতে পারে না। আমার কাছে ষড়যন্ত্র মনে হয়েছে। তবে তদন্ত করলেই সব বেরিয়ে আসবে

কী কারণে ষড়যন্ত্র মনে করছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,অপরাধীদের আটক করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত হবে। জিজ্ঞাসাবাদেই সব বেরিয়ে আসবে। বিচারের ব্যাপারে আপনারা অবগত। আমাদের প্রসিকিউশন শক্তিশালী অবস্থান নিয়েছে আলোচিত মামলাগুলো নিষ্পত্তিতে। এমন মামলাগুলো সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে আমলে নিয়ে আমরা অ্যাকশনে যাচ্ছি। অপরাধীরা সাজাও পাচ্ছে। এটি তো প্রমাণিত হচ্ছে।

এই ধারা চলবেই আপনি বলছেন, বিচার হচ্ছে। কিন্তু অপরাধের ভয়াবহতা বাড়ছেই এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন,কী কারণে সমাজের এই অস্থিরতা, তা আগে নির্ধারণ করতে হবে।অস্থিরতা, কুরুচি,নাকি ষড়যন্ত্র তা নির্ধারণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

নির্যাতনের সময় ভিডিও করে তা আপলোড করার বিশেষ উদ্দেশ্যও থাকতে পারে। এসব অপরাধ কেন ঘটছে আমরা সিরিয়াসলি খুঁজে বের করব


উল্লেখ্য,গত ২ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৩২ দিন পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রোববার (৪ অক্টোবর) বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।এ ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২ সেপ্টেম্বর রাত ৯টার দিকে একলাশপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড়

এলাকার নূর ইসলাম মিয়ার বাড়িতে গৃহবধূর বসতঘরে ঢুকে তার স্বামীকে পাশের কক্ষে বেঁধে রাখে স্থানীয় বাদল ও তার সহযোগীরা।এরপর গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করে তারা।এ সময় গৃহবধূ বাধা দিলে তাকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করে তারা মোবাইলে ভিডিওচিত্র ধারণ করে।

এদিকে এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি অনলাইন মাধ্যম থেকে সরিয়ে নিতে বিটিআরসিকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট

বিটিআরসিকে বলা হয়েছে,একটি ভিডিওর কপি সংরক্ষণে রাখতে।২৮ অক্টোবর এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেবেন বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)।

একই সঙ্গে ভিকটিমের পরিবারকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে স্থানীয় পুলিশ সুপারকে (এসপি) নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঘটনা তদন্তের জন্য সেখানকার স্থানীয় সরকারি কলেজের প্রিন্সিপাল, সমাজসেবা অফিসারসহ তিনজনের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে

অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারকে (এডিসি) এ বিষয়ে ১৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

নোয়াখালীতে গৃহবধূকে নির্যাতনসহ সারাদেশে সংঘটিত ধর্ষণ-নিপীড়নের ঘটনায় বিচারের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে সম্মিলিত ছাত্র-জনতা। রাজধানীর উত্তরা ও নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচির খবর পাওয়া গেছে।


Saturday, 26 September 2020

টাঙ্গাইলে নির্যাতনের স্বীকার নববধূ, গলায় ফাস দিয়ে আত্মহত্যা!

টাঙ্গাইলে নির্যাতনের স্বীকার নববধূ, গলায় ফাস দিয়ে আত্মহত্যা!


স্বামী ও শাশুড়ির জ্বালা সইতে না পেরে ঘরের আড়ায় শাড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন ইতি বেগম নামের এক গৃহবধূ (১৮)।

তিনি টাঙ্গাইলের গোপালপুরের হাদিরা দক্ষিণপাড়া গ্রামের ব্যবসায়ী আল আমীন মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয় ইউপি মেম্বার সবুর হোসেন জানান, ইতি ছিলেন আল আমীনের দ্বিতীয় স্ত্রী। তিন বছর আগে একই গ্রামের মুত্তালিব মিয়ার কন্যা সেলিনাকে বিয়ে করেছিলেন আল আমীন।
সেলিনার বাবা মুত্তালিব হোসেন জানান,

কন্যা সন্তান প্রসব করায় প্রায়ই সেলিনাকে মারধর করতো আল আমীন ও তার পরিবার। নির্যাতন সইতে না পেরে নাবালক কন্যাসহ সেলিনা বাবার বাড়ি চলে আসেন। পরে ডিভোর্স হয়।

পড়শি হাসিনা বেগম জানান, পাঁচ মাস আগে আল আমীন যৌতুক নিয়ে ঝাওয়াইল গ্রামের দুলাল মিয়ার কন্যা ইতিকে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

দুলাল মিয়া জানান, ইতি মেধাবী ছাত্রী ছিল। গতবার ফরম ফিলাপ করার পরেও তাকে ইন্টার পরীক্ষা দিতে দেয়নি আল আমীন। মেয়েটি কলেজে পড়ার জন্য বায়না ধরেছিল। এজন্য তাকে প্রায়ই মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হতো। আজ দুপুরে ইতি পড়ালেখার কথা তুলতেই তাকে নির্যাতন করা হয় বলে ফোনে বাবাকে জানায়।

নির্যাতন সইতে না পেরে ইতি আত্মহত্যা করেছে বলে তার অভিযোগ। তিনি এর বিচার দাবি করেন।
এদিকে আল আমীন জানায়, ইতি ছিল অভিমানী মেয়ে। সামান্য কথাকাটির ঘটনায় সে এমন সর্বনাশা কাণ্ড করেছে। তাকে কোন নির্যাতন করা হয়নি।
এ ব্যাপারে গোপালপুর থানার ওসি কাইয়ুম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছেন

Friday, 25 September 2020

স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে এসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে এসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ


স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে এসে গণধর্ষণের শিকার গৃহবধূ

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ধর্ষকদের ধরতে ছাত্রাবাসে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এসময় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে একটি বন্দুকসহ বিপুল সংখ্যক অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

গতরাতে কলেজের ছাত্রাবাসে এ অভিযান চালায় পুলিশ। তবে, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।

জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বামীকে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে যান ওই গৃহবধূ। এসময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে তারা।

খবর পেয়ে গৃহবধূকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় ৬ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।