Monday, 1 June 2020

টাউট সাংবাদিক এনামুলের অপকর্ম।



টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি:-

১/ আড়াইপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের এম,পি,ও,করার জন্যে শিক্ষকদের দেওয়া, তিনলক্ষ টাকা আত্মসাৎ।
২/ ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আঃ আজিজ স্যারের সই জাল করে ব্যাংক থেকে ১,৫৩,০০০ হাজার টাকা উত্তোলন করে। তৎকালীন সময় সখিপুর নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন মোকাব্বির হোসেন তার তদন্তে বেরিয়ে আসে ও জেল- হয়।
৩/ ডিঅমস, এর সাধারণ সম্পাদক থাকা অবস্থায় টাকা চুরির অপরাধে বহিষ্কার করা হয়।
৪/ তৎকালীন গজারিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালনের সময় টাকা আত্মসাতের অপরাধে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
৫/ প্রথম স্ত্রীকে ব্যাপক নির্যাতন করায় তার প্রথম স্ত্রী চলে যায় এবং সেই মামলায় তার জেল হয়।
৬/তার পিতার বিক্রয় করা জমি থেকে কয়েকজনকে গ্রহীতাকে জুর পূর্বক বেদখল দেয়, এবং অন্যের জমি দখল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এবং হাইকোর্ট ২৫/৩০ টা মামলা আছে এবং সখিপুরের মানুষ তাকে মামলা বাজ হিসাবেই জানে।
৭/ ইউনু এবং এসিলেন্ট এবং বিভিন্ন ভূমি অফিসের লোকজনের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে ভুমি র দালালি করছে এবং মোটা অংকের টাকা কামিয়ে নিচ্ছে,, এবং এটাই তার টাকা কামানোর উৎস।
৮/ ভূমি আন্দোলনের নেতা পরিচয়ে সহজ সরল মানুষের জমি রক্ষা করে বলে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা চাদা নেয়।
৯/ সে এইসব অপকর্মের হাত থেকে বাঁচতে প্রশাসনের লোকদের পা চেটে চামচামি করে পার পেয়ে যাচ্ছে।
১০/ করণা মহামারীতে সখিপুরের চাউলের ডিলারদের কাছ থেকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে, একইভাবে গোডাউনের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছে।
১১/গত এম পির সময়ে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান লেবুকে ব্যাবহার করে, রেজাউলের ঘর বেড়া রাতের আধারে ভেংগে দেয় এবং দখল নেয়,রেজাউলের কাছে থেকে তার বাবার বিক্রয় কৃত ৩২ লক্ষ টাকা আজও ফেরত দেইনি।
১২/ একমাত্র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সে ধরনের টাউটামি বদমাশী করে যাচ্ছে এবং নিরহ মানুষদের হুমকি-ধামকি দিয়ে চাঁদা আদায় করে তার সংসার চালাচ্ছে।
১৩/ এনামুলের বাবার বিক্রয় করা জমি ৬ ডিসিমাল জমির টাকা ক্লিয়ায় করে দলিল করে নেয় আন্দির ফারুক ,, পরে ওই জমি এনামুল কিনবে বলে লাম সাম টাকা দিয়ে বায়না পত্র করে, পরে সেই জমি অন্য লোকের কাছে বিক্রি করে এনামুল এবং, তার বাবাকে দিয়ে দলিল করে দেয়,, এখনো সেখানে ফারুকের দুটি ঘর আছে,, কিন্তু এখনো ফারুককে তার টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।
১৪/ সখিপুর পৌর এলাকায়,দারুল উলুম মইনুল ইসলাম মাদ্রাসার ৪২ হাত টিনের ঘর ভেংগে নিয়ে আত্মসাৎ করে।
১৫/ সে বিএনপি নেতা ছিল তার পর আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী এর পার্টিতে যোগ দেয়,,সে সুবিধা নেওয়ার জন্যে একেক সময়ে একেক দল একেক নেতার চামচামি এই অপকর্ম করে যাচ্ছে এবং পার পেয়ে যাচ্ছে, তার এই অপকর্ম গুলো তুলে ধরা হলো সে সাংবাদিক হয়ে কিভাবে এই অপকর্মগুলো দিনের পর দিন চালিয়ে যাচ্ছে এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে তাকে আইনের আওতায় আনা হোক।



সুত্র:প্রাইম নিউজ বিডি24.Com


শেয়ার করুন

0 Please Share a Your Opinion.: