Monday, 1 June 2020

করোনাকালে ১৫ হাজার ২১৭জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

ভার,   যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীনসহ ২০ টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কয়েকটি সদস্য দেশ থেকে গত চার মাসে ছয় হাজার ২৪১ জন বাংলাদেশিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশে ফিরিয়ে এনেছে। একই সময় বাংলাদেশ থেকে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীনসহ ২১ টি দেশ ও ইইউর কয়েকটি সদস্য দেশের ১১ হাজার ৮৯২ জন নাগরিক তাদের দেশে ফিরে গেছেন। এ ছাড়া গত দেড় মাসে আট হাজার ৯৭৬ জন অভিবাসী দেশে ফিরেছেন। এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ২১৭ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।



গতকাল সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করোনা বিষয়ক সেল থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার ঘটার আগেই চিকিৎসা, বেড়ানো, পড়াশোনা ও পেশাগত নানা কাজে গিয়েছিলেন কয়েক হাজার বাংলাদেশি। লকডাউন, আকাশপথে চলাচল বন্ধসহ নানা কারণে প্রতিবেশি ভারতের পাশাপাশি সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ আর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অষ্ট্রেলিয়াসহ পশ্চিমা অনেক দেশে এসব বাংলাদেশি আটকা পড়েন।করোনার সংক্রমণের বিস্তার ঘটার পর থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আকাশ ও সড়কপথে বাংলাদেশের নাগরিকের ফেরানো  বিষয়টিতে সমন্বয় করছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের করোনা বিষয়ক সেল।

১৫ এপ্রিল থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেড় মাসে বিভিন্ন, দেশ থেকে বাংলাদেশের নাগরিক  ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

🔳কুয়েত ৩,৪৮৯ জন নাগরিক।

🔳মালয়েশিয়া ১,৭৯২ জন নাগরি। 

🔳ওমান১,৪০৮ জন নাগরি।  

🔳আরব আমিরাত ১,৩৯৪ জন নাগরি।

🔳বাহরাইন ৩১১ জন নাগরি। 

🔳সৌদি আরব ৩০৯ জন নাগরি। 

🔳সিংগাপুর ২৭৩ জন নাগরিক

করোনার কারণে আটকে পড়া এবং অভিবাসী মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১৫ হাজার ২১৭ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। দেশে ফিরে তাঁরা প্রাতিষ্ঠানিক বা আবাসিক কোয়ারাণ্টিনে (সঙ্গনিরোধ) থাকছেন কি না, করোনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাচ্ছেন কি না, এ নিয়ে লোকজনের প্রশ্ন রয়েছে।

ফিরে আসা বাংলাদেশের লোকজন বাড়ি ফিরে যাওয়ার পর বিদেশ থেকে যেসব লোকজন দেশে ফিরে আসে, দূতাবাসের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে পাঠায়। ওই তালিকা দেখে লোকজনকে বিমানবন্দরে অবতরণ করতে দেওয়া হয়। যেসব লোকজন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত নন, সনদ জমা দেন, তাঁদের সরাসরি গন্তব্যে যেতে ছেড়ে দেওয়া হয়। তা ছাড়া সবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর একটি নির্ধারিত আবেদনপত্র পূরণ করে গন্তব্যে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। যেসব অভিবাসীর বাড়িতে ১৪ দিনের সঙ্গনিরোধ বাধ্যতামূলক, তাঁদের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়া হয়। 

ততথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো   



শেয়ার করুন

0 Please Share a Your Opinion.: