Wednesday, 29 July 2020

করোনা পরীক্ষায় হয়রানি, ফ্লাইট মিস করছেন বিদেশগামীরা




বিদেশগামী যাত্রীদের প্লেনে উঠতে করোনাভাইরাস পরীক্ষার নেগেটিভ সনদ বাধ্যতামূলক করার পর ওই সনদ জোগাড়ে তাদের হয়রানির শেষ নেই। নমুনা জমা দেওয়ার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সনদ হাতে পাওয়ার কথা থাকলেও তা মিলছে না। আর নির্দিষ্ট সময়ে সনদ সংগ্রহ করতে না পেরে অনেকেই বিমানের ফ্লাইট মিস করছেন। এতে আর্থিক সংকটের মুখে পড়ছেন কেউ কেউ। এছাড়া সনদ সংগ্রহ করতে গিয়েও ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে বিদেশগামীদের। সরকার নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে সারা দেশের ১৬টি কেন্দ্রে গিয়ে করোনা পরীক্ষার সনদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বিদেশগামীদের নানা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিদেশ থেকে আসার সময় করোনা পরীক্ষার সনদ না লাগলেও বাংলাদেশ ত্যাগ করতে সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়া বিশ্বের অনেক দেশই তাদের দেশে ঢুকতে করোনার সনদ বাধ্যতামূলক করেনি। কোনো ধরনের পরিকল্পনা ও আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে যাত্রীরা বলছেন। ঢাকায় মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটের কেন্দ্রে মোটামুটি স্বাভাবিক গতিতে এ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেও ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক। বিশেষ করে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চট্টগ্রাম ও সিলেট এলাকার বিদেশগামীরা।

সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন দেশটির একটি সরকারি হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন আঞ্জুমান আরা বেগম। দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব শুরুর আগে ছুটিতে দেশে এসে আটকা পড়েন তিনি। সম্প্রতি সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আঞ্জুমানের মতো ছুটিতে এসে আটকে পড়াদের ফিরিয়ে নিতে সৌদি এয়ারলাইনসের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে। গত ২৫ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টায় ওই ফ্লাইটটি ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যায়।

সব প্রস্তুতি থাকলেও শুধু যথাসময়ে করোনা পরীক্ষার সনদ হাতে না পাওয়ায় আঞ্জুমানকে বিমানবন্দর থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ২৫ জুলাই দুপুরের মধ্যে আঞ্জুমানের মহাখালীর ডিএনসিসি মার্কেটের কেন্দ্র থেকে করোনা পরীক্ষার সনদ হাতে পাওয়ার কথা থাকলেও তা পেয়েছেন পরদিন দুপুরে। চার্টার্ড ফ্লাইটটি মিস করে এখন সৌদি আরবের চাকরি রক্ষা করা নিয়েই দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন এই নারী। কারণ তার ভিসার মেয়াদ রয়েছে আর মাত্র কয়েক দিন। এর মধ্যে তিনি কীভাবে সৌদিতে ফিরবেন তার উপায় জানা নেই।

আঞ্জুমানের মতো আরেক ভুক্তভোগী ইতালি প্রবাসী আলী হাবিব গতকাল বলেন, ১৬টি হাসপাতাল বা বুথ সিলেকশনে প্রবাসীদের আনুপাতিক হার বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। ঢালাওভাবে করা হয়েছে সারা দেশে। আর এজন্য কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় বেশি চাপ পড়েছে। আবার কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, টাঙ্গাইল, ঢাকা, সিলেট, কিশোরগঞ্জ, নরসিংদী, কক্সবাজার ও ফেনী এ ১৩ জেলায় প্রবাসীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

যদিও বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষার ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী জেলা প্রবাসীদের তালিকার শীর্ষে থাকলেও এ পাঁচ জেলার মানুষদের করোনা পরীক্ষা করাতে যেতে হবে কুমিল্লায়। কুমিল্লা জেলার সিভিল সার্জন কার্যালয়ে একটি বুথের মাধ্যমে স্যাম্পল নেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত স্যাম্পল নেওয়া হয়।

জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. নিয়াতুজ্জামান বলেন, ‘২০ জুলাই থেকে স্যাম্পল নেওয়া শুরু হয়েছে। তাছাড়া লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনীসহ পাঁচ জেলার দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। এতগুলো জেলার মানুষের স্যাম্পল নিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্যাম্পল ল্যাবে পাঠাতে না পারলে সময়মতো প্রতিবেদন দেওয়া সম্ভব হবে না। তারপরও আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করব।’

সংশ্লিষ্টরা দেশ রূপান্তরকে জানায়, গত ১২ জুলাই আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বিদেশগমনেচ্ছু যাত্রীদের কভিড-১৯ মুক্ত সনদ নিয়ে বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। সপ্তাহখানেক পর ১৯ জুলাই বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়, ২৩ জুলাই থেকে বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে বিদেশগমনকারী সব এয়ারলাইনসের যাত্রীদের কভিড পরীক্ষার সনদ বাধ্যতামূলক। কভিড-১৯ পরীক্ষার বিষয়ে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়।

বিদেশগামী যাত্রীকে বিমানযাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নমুনা জমা দিতে হবে। করোনা পরীক্ষার সরকার নির্ধারিত ফি ২০০ টাকা। কিন্তু বিদেশগামী যাত্রীদের সশরীরে ল্যাব গিয়ে পরীক্ষার জন্য দিতে হবে ৩ হাজার ৫০০ টাকা এবং বাড়ি থেকে নমুনা সংগ্রহ করলে ফি দিতে হবে ৪ হাজার ৫০০ টাকা। দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে মাত্র ১৪টি জেলায় বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষার স্যাম্পল নেওয়া হবে। এসব স্যাম্পল পরীক্ষা করা হবে ১৬টি সরকারি হাসপাতালে। যেসব জেলায় স্যাম্পল সংগ্রহের বুথ রয়েছে সেগুলো হচ্ছে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, কুষ্টিয়া, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রাজশাহী, দিনাজপুর, সিলেট, রংপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও কুমিল্লা।

অভিযোগ রয়েছে, প্রথমে বলা হয়েছিল টাকা বেশি দিলে বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন পাওয়া যায়নি। বয়স্ক নারী-পুরুষ ও গুণীজন সবাইকে কেন্দ্রে গিয়েই নমুনা প্রদান ও সনদ সংগ্রহ করতে হচ্ছে। আবার কোনো জেলায় সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষার নমুনা নেওয়া হলেও কোনো কোনো জেলায় নেওয়া হচ্ছে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে।

অনেক ক্ষেত্রেই বিদেশগামীদের একবার সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে, আবার ল্যাবে ছোটাছুটি করতে বলা হলেও জনবল সংকটের অজুহাতে অনেক ক্ষেত্রেই বাড়িতে গিয়ে নমুনা সংগ্রহে আগ্রহী নয় নির্ধারিত ল্যাবগুলো। দিনাজপুরে বিদেশগামীদের নমুনা নেওয়া হচ্ছে এম. আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজে। এ জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. আবদুল কুদ্দুছ বলেছেন, ‘এখানে একটি ডেডিকেটেড বুথের ব্যবস্থা করেছি। সরাসরি সেখানে নমুনা দেওয়া যাবে।

সকাল ৯টা থেকে নমুনা নেওয়া হবে। আমার অধীনে যে টিমটি আছে, তারা ফিল্ডে কাজ করে। তাদের যদি বিদেশগামীদের নমুনা সংগ্রহের কাজে জড়িয়ে ফেলি, তাহলে ফিল্ডের কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। তাছাড়া আমরা নমুনা সংগ্রহ করলেও পরীক্ষা হতো আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজের ল্যাবেই। তাই সরাসরি সেখানেই নমুনা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।’

এদিকে সঠিক সময়ে অর্থাৎ ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করোনার সনদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেককেই চরম ভোগান্তি ও ফ্লাইট মিসের মতো কঠিন পরিণতির শিকার হতে হচ্ছে। রাজধানীর মহাখালীতে ডিএনসিসি মার্কেটের বুথে গতকাল দেখা যায়, এখানে দৈনিক গড়ে সাড়ে তিন থেকে পাঁচশো প্রবাসী ভিড় জমান। তারা ফ্লাইটের তারিখের দুদিন আগে এখানে এসে নমুনা দিয়ে যান।

প্রথম দিন দিয়ে যান সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে। পরদিন দুপুর ২টার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সনদ সংগ্রহ করতে পারেন। পরদিন ফ্লাইট ধরতে বিমানবন্দরে যেতে পারেন। এতেই সবাই মোটামুটি মানানসই হয়ে যায়। কেউ ইচ্ছে করলে বাসায় বসেও অনলাইনে সনদ দেখে প্রিন্ট কপি নিতে পারেন। এখানে কর্মরত একজন সেনা কর্মকর্তা জানান, প্রতিদিনই বিদেশগামীরা আসছেন।

লাইনে দাঁড়িয়ে শৃঙ্খলামতো সিরিয়াল নিয়ে ভেতরে যান। নমুনা দিয়ে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে চলে যান। পরদিন এসে আবার একই কায়দায় সনদ নিয়ে যান। এ কেন্দ্রে এখনো পর্যন্ত বড় ধরনের অনিয়ম বা জটিলতা দেখা না দিলেও প্রথম দুদিন হেলথ টেকনিশিয়ানদের কর্মবিরতির কারণে প্রতিবেদন তৈরি ও সার্ভারে প্রবেশে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। এতে হয়তো কেউ কেউ ফ্লাইট মিস করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।

রাজধানীর চিত্র মোটামুটি হলেও চট্টগ্রামে অভিযোগের শেষ নেই। প্রতিদিনই ফ্লাইট মিসের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। গত চার দিনে কয়েকজনের ফ্লাইট মিসের খবর মিলেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে এক দর্শনার্থী জানান, তিনি তার এক আত্মীয়কে বিদায় জানাতে এসেছেন। তার আত্মীয় দুবাই যাবেন, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে ফ্লাইট ধরার তারিখ ছিল গতকাল মঙ্গলবার। কিন্তু পারেননি।

রাউজানের গহিরা এলাকার আসাদুজ্জামানের ফ্লাইট ছিল ২৭ জুলাই সোমবার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এবং দুপুর আড়াইটায় ঢাকা থেকে দুবাইগামী ফ্লাইট ছিল তার। ২৬ জুলাই বেলা ৩টায় করোনা সনদ পাওয়ার কথা। কিন্তু ১৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও করোনা সনদ পাননি তিনি। প্রায় ২২ ঘণ্টা পর দুপুর ১২টার দিকে তিনি যখন করোনা সনদ পেলেন চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ফ্লাইট তখন আকাশে। এরপর স্বভাবতই ফ্লাইট মিস।

তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে দেশে এসে করোনার কারণে আটকে যাই। ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ আছে। অথচ ঈদের আগে দুবাইয়ের কোনো ফ্লাইটেই আসন খালি নেই। জানি না কর্মস্থলে আর ফিরতে পারব কি না। যদি যেতে না পারি তাহলে সামনে কী করব, কী খাব, কী করব সেটা কেউ জানে না। এ দায় কে নেবে?’

অভিযোগ রয়েছে, বৃহত্তর চট্টগ্রামে শুধু একটিমাত্র ল্যাব ফৌজদারহাট বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশান ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) বিদেশগামীদের করোনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়ায় নমুনাজট ও রিপোর্ট পেতে দেরি হচ্ছে। গত সোমবার যথাসময়ে করোনা সনদ না পাওয়ায় চট্টগ্রামের অর্ধশতাধিক বিদেশগামী যাত্রী ফ্লাইট মিস করেছেন।

রবিবার বেলা ৩টা থেকে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিসে অপেক্ষা করে, খোলা আকাশের নিচে নির্ঘুম রাত কাটিয়েও সকালে নির্ধারিত ফ্লাইটের আগে রিপোর্ট পাননি তারা। রিপোর্ট না পেয়ে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। দীর্ঘ অপেক্ষার পর যারা পেয়েছেন, তারাও সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। ফ্লাইট ধরার জন্য এক কাপড়েই অনেককে ছুটতে হয়েছে বিমানবন্দরে। দেখা করা হয়ে ওঠেনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। তারপরও শেষ রক্ষা হয়নি। ফ্লাইট মিস করতেই হয়েছে।

বেবিচকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অনেক রাষ্ট্রই তাদের দেশে প্রবেশ করতে করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট চাচ্ছে না। সার্টিফিকেট নেওয়ার পরও যে কেউ যেকোনো সময় আক্রান্ত হতে পারেন। বিদেশফেরত প্রবাসীরা বর্তমানে সংকটে আছেন। এর ওপর টেস্টের যে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে, তা তাদের জন্য অনেক বেশি।

শুধু টেস্ট নয়, যাতায়াত মিলিয়ে একেকজনের ১০-১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ হবে। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতি সবসময় সচল রেখেছেন। এই মুহূর্তে তাদের জন্য এ খরচ অনেক বেশি। অন্যদিকে ৬৪টি জেলার মানুষের জন্য মাত্র ১৪ জেলায় টেস্টের ব্যবস্থা মোটেও পর্যাপ্ত নয়।’

জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা  বলেন, ‘বিদেশগামী যাত্রীরা ফ্লাইটের ৭২ ঘণ্টা আগে সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে নমুনা জমা দেবেন। আর নমুনা জমা দেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের রিপোর্ট দেওয়ার কথা। বিদেশগামী যাত্রীদের নমুনা পরীক্ষার জন্য প্রয়োজন হলে আমরা বুথের সংখ্য আরও বাড়াব।’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী বলেছেন, যে বিধিবিধান হয়েছে তা করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সার্টিফিকেট তো কোথাও লাগে না। ইতালির ঘটনার পর এসব বিধিবিধানের বিষয়গুলো সামনে আসছে। এখন বিদেশে যেতে হলে করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। এজন্য নির্দিষ্ট জেলায় আলাদা বুথ করা হয়েছে।


শেয়ার করুন

0 Please Share a Your Opinion.: