Thursday, 23 July 2020

দেশে আটকা পড়া আরব আমিরাত প্র’বাসীদের ৬ মাস অতিক্র’ম হলে ভিসা বাতিল

সংযু’ক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত বিভিন্ন দেশের বিপুল সংখ্যক প্রবা’সীরা বর্তমান দেশের বাহিরে রয়েছে।তাদের মধ্যে বেশিরভাগই করোনা কালীন সময়ে নিজ নিজ দেশে আট’ক পড়া প্রবাসী। আমিরাত সরকার ঘোষণা দিয়েছিল করোনায় আটকা পড়া প্রবাসীদের ভিসা অটোমেটিক নবায়ন হয়ে যাবে। কিন্তু চলতি মাসে উক্ত সিদ্ধান্ত বাতিল করে নতুন ভিসা পদ্ধতি ঘোষণা দিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দেশটির শীর্ষ ইং’রে’জি পত্রিকা দি ন্যাশনালে প্রকাশিত এক সংবাদে বলা হয়েছে, “৬ মাসের অধিক সময় আমিরাতের বাহিরে অবস্থান করলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে। তবে ভিসা বাতি’ল হওয়া ব্যক্তির নতুন ভিসার জন্য আবেদনের সুযোগ রয়েছে।”

যেসকল দেশের ফ্লাইট বন্ধ ছিল তাদের ফ্লাইট চালু হলে অনলাইনে আবেদন করে আমিরাতের অ’নুমতি পে’লেই কেবল আমি’রাতে প্রবেশ কর‍তে পারবে।পর্যটন ভিসার ক্ষেত্রেও এক মাস সময় বেঁ’ধে দেওয়া হয়েছে। এক মাসের মধ্যে কাজের সন্ধান করে ভিসা লাগানো অথবা দেশ ত্যাগ করতে হবে।

আর যাদের সাধারণ ভি’সার মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদের বেলায়ও নির্দিষ্ট একটি সময় সীমা রাখা হয়েছে।এদিকে নতুন এই আই’নের ফলে সবচেয়ে বেশি বিপদে পড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশি প্রবা’সীরা। ছয় মাস অতিক্র’মের সাথে’সাথে ভিসা বাতিল হলে নতুন ভিসার আবেদন করে ভিসা পাবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ, প্রায় ৮ বছর থেকে বাংলা’দেশিদের জন্য আমিরাতে ভিসা বন্ধ রয়েছে।

আরোও পড়ুনঃ আরব আমিরাতে আটকে গেল অনেক প্রবাসীর দেশে ফেরা
সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকার নি’বন্ধ’নের মাধ্যমে করোনায় আটকে পড়া বাংলা’দেশিদের দেশে আসার সু’যোগ দিলেও বিভি’ন্ন ভু’লের কারণে দেশটির ইমি’গ্রেশন শেষ মু’হূর্তে অনেকের যাত্রা বাতিল করছে। ফলে অনু’মোদন পেলেও বি’মানবন্দর থেকে ফেরত ‘আসতে হচ্ছে তাদের।এতে বিদেশ’গামীরা যেমন ভোগান্তিতে পড়ছেন, তেমনি ফ্লাইট পরিচালনা চ্যালেঞ্জিং হয়ে পড়েছে বাংলাদেশ বিমা’নের জন্য।মার্চ থেকে মধ্য’প্রা’চ্যের সব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের নিয়মিত ফ্লা’ইট ব’ন্ধ রয়েছে। আরব আমিরাতে কর্মরত বাংলাদেশি যারা ছুটিতে এসে আ’টকা পড়েছেন চলতি মাসেই তাদের প্রবেশের সুযোগ উন্মুক্ত করে দেশটি।

পুনঃপ্রবেশের জন্য তাদের নাগরিকত্ব ও পরিচ’য়পত্র প্রদা’নকারী কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত লিংকে অন’লাইনে আবেদনের পর যারা অনু’মোদন পাচ্ছেন শুধু তা’রাই যেতে পারবেন।অথচ অনুমোদনের পর অনেক কষ্টে টিকিট যোগা’ড় করলেও যাত্রার আগে দেশটির অভিবা’সন বিভাগ অ’নেকের বো’র্ডিং অনুমো’দন করছে না।ফলে প্রতিটি ফ্লাইটে ২৫ থেকে ৩০ জনের যাত্রা বাতিল হচ্ছে।’ক’রোনার কা’রণে কম যাত্রী নেয়ার বাধ্যবাধকতার সঙ্গে কোভিড প’জি’টিভ হলেও অনেকের যাত্রা বাতিল হচ্ছে। সেই সঙ্গে ইউ’এই ইমিগ্রে’শন অনেক যাত্রীর বোডিং ওকে না করায় ফ্লাইট পরি’চালনা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান বিমানের এমডি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এমডি মোকাব্বির বলেন, বোর্ডিং’য়ের সময়ে অন’লাইনে অ্যাপ্রু’ভাল আসে, সেটা না আসলে বোর্ডিং পাস দেয়া যায় না। এ কারণে অনেকেই যেতে পারেন না।যাত্রীদের অ’জ্ঞতার কারণে অনেকের যাত্রা বাতিল হচ্ছে জানিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির আহ্বান বিমা’নবন্দর কর্তৃপক্ষের। শাহজালাল বি’মানবন্দর পরিচালক গ্রুপ ক্যা’প্টেন এ এইচ এম তৌহিদ উল আহসান বলেন, ফেরত যেতে হলে ইউই সর’কার থেকে নিবন্ধন করতে হয়।

মেয়াদ থাকে ২১ দিন পর্যন্ত। অনেকেই অজ্ঞতাবশত এ ২১ দিন পার করে ফেলেছে। গত জানুয়ারি থেকে মধ্য’প্রা’চ্যসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আকাশ’পথে ফেরেন প্রায় ৭ লাখ যাত্রী। এর মধ্যে ইউরোপ আমে’রিকা প্রবা’সীরা ফেরার সুযোগ পেলেও বাংলাদেশি যাত্রী প্রবেশে নিষে’ধা’জ্ঞা’ বহাল রাখায় বি’পদে পড়েছেন মধ্য’প্রাচ্য প্রবাসীরা





শেয়ার করুন

0 Please Share a Your Opinion.: