Sunday, 16 August 2020

সিঙ্গাপুরের ক‍্যাটারিং এর খাবারের মান উন্নয়নের দাবি


প্রবাসীদের কথা।

স্বপ্নের দেশ সিঙ্গাপুর, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন মনোমুগ্ধকর একটি দ্বীপরাষ্ট্র। সুদক্ষ কোন শিল্পির রংতুলিতে আঁকা ছবির মত একটি দেশ। কোন দিকে কোন কমতি নেই। কিন্তু বলতে খুব কষ্ট হচ্ছে, 

এত উন্নত একটি দেশে আমরা খাবারের কষ্টে ভুগছি দিনের পর দিন। হাতে গুনা কয়েকজন ভাগ্যবান রান্না করে খেতে পারলেও, প্রবাসীদের বড় একটা অংশ ক্যাটারিং এর উপর নির্ভরশীল। এই মুহুর্তে যারা দেশে আছেন, মায়ের/স্ত্রীর হাতের রান্না খাচ্ছেন, ক্যাটারিং নামটি শুনে নিশ্চই আপনাদের গায়ের পশম দাড়িয়ে গেছে।

আসলে ঠিক করে বলতে পারছিনা, দিনের পর দিন একই স্বাদ আর গন্ধ যুক্ত খাবার খাচ্ছি বলে খারাপ লাগে, নাকি খাবারের মানটা আসলেই খারাপ?

তবে অতিরিক্ত তেল আর মসলা যে শরিরের জন্য মোটেও ভাল নয়, তা আমরা খুব ভাল করেই জানি।
তাহলে আমরা কি কখনো মুক্তি পাবোনা, খাবারের নামে উচ্চ তেল মশলাযুক্ত অরুচিকর খাদ্য খেতে বাধ্য হওয়া থেকে।

অনেককে বলতে শুনেছি এদেশে তেল আর পানির দাম সমান, তাই বলে কি তেল দিয়ে পানির কাজ চালাতে হবে। বলছিলাম তরকারির জুলের কথা, দেখে অনেকটা মনে হয় পানির পরিবর্তে তেল ব্যবহার করা হয়েছে ঝোল বাড়াতে। কারন তরকারিতে পানির চাইতে তেলের পরিমান বেশি থাকে।

চাইলে কি খাবাবরে মানটা ভাল করা যায়না?
ক্যাটারিং মালিক ভাইয়েরা, দেশি ভাইদের প্রতি একটু সদয় এবং আন্তরিক হলে হয়তো সবই সম্ভব।
ছোট বেলায় দাদার মুখে শুনেছি, পেট ঠান্ডা তো দুনিয়া ঠান্ডা।
সেই পেটে ক্ষুধার জ্বালা নিয়েই অনেক প্রবাসীকে রাতে ঘুমাতে যেতে হয়, উত্তপ্ত মনে। দিনের পর দিন অতৃপ্ত’তাকে সঙ্গি করেই কাজে ডুবে থাকতে হয়।

দুপুরের খাবার খাওয়ার সময় অনেকেই ক‍্যাটারিং এর মালিকদের বকা ঝকাও করে।
আমরা নিরাপদ খাদ্য চাই, সুস্থ থাকতে চাই।

সিঙ্গাপুর খাদ্য মন্ত্রী, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের ও বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রতি সবিনয় নিবেদন, আমাদের প্রতি একটু সদয় হোন, আপনাদের একটু সুদৃষ্টি পেলে হয়তো অভুক্ত পেটটা, আনন্দ নিয়ে তৃপ্তির ডেকুর তুলতে পারবে। সুসাস্থ নিয়ে শীতল মনে আরও বেশি কর্মোঠ হয়ে মননিবেশ করতে পারবে নিজ কর্মে।


শেয়ার করুন

0 Please Share a Your Opinion.: